ধারা নং-২২ – আর্থিক ব্যাবস্থাপনা:

(ক)    সংগঠনের আর্থিক লেনদেন  পরিচালনার জন্য সরকার অনুমোদিত যে কোন

ব্যাংকে সংস্থার নামে কার্য এলাকার মধ্যে সঞ্চয়ী, চলতি/স্থায়ী হিসাব পরিচালনা করতে পারবে । কার্যকরী পরিষদের সিদ্ধান্ত মোতাবেক এই হিসাব খোলা হবে এবং পরিষদের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক ও কোষাধ্যক্ষ এদের যে কোন দুই জনের যৌথ স্বাক্ষরে হিসাব পরিচালিত হবে। তবে পরস্পরের আত্মীয় থাকলে ব্যাংকে হিসাব পরিচালনা করা যাবে না।

(খ)    সংস্থার প্রয়োজনীয় অর্থ খরচের পূর্বে উত্তোলনের জন্য কার্যকরী পরিষদের অনুমোদন গ্রহণ করতে হবে এবং খরচে পর পরই খরচকৃত অর্থ কার্যকরী পরিষদের পরবর্তী সভায় সকল খরচের অনুমোদন করতে হবে। বাকি সাধারণ সভায় বার্ষিক বাজেট পাশ করাতে হবে।

(গ)    বছর শেষে সংস্থার/সংগঠনের যাবতীয় আয়-ব্যয় হিসাব পত্র সমাজ সেবা অধিদপ্তরের কর্মকর্তা/নিবন্ধনকরণ কর্তৃপক্ষের প্রতিনিধি দ্বারা নীরিক্ষা করাতে হবে। বার্ষিক সাধারণ সভায় নিরীক্ষা প্রতিবেদন সকল সদস্যদের অবগতির জন্য পেশ করতে হবে।

(ঘ)    সংগঠনের/সংস্থার সম্পাদক ও কোষাধক্ষে, যৌথ স্বাক্ষরের মাধ্যমে প্রত্যেক মাসের শেষে ক্যাশ বহি ক্লোজ করতে হবে। দুই কলাম বিশিষ্ট নগদান বহিতে সংরক্ষণ করতে হবে।

(ঙ)    ২০,০০০/- হাজায় টাকার বেশী মূল্যের কোন দ্রব্য বা মালামাল ক্রয় করলে সেক্ষেত্রে কোটেশন বা দরপত্র আহবানের মাধ্যমে মালামাল ক্রয় করতে হবে। তাছাড়া ২০,০০০/- (কুড়ি হাজার) টাকা পর্যন্ত মূল্য কোন জিনিস ক্রয় করতে হলে সংস্থার/সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক, কোষাধ্যক্ষের যৌথ যাচাইয়ের মাধ্যমে উক্ত মালামল ক্রয় করা যাবে।

(চ)     আর্থিক বছর শেষে বাৎসরিক হিসাব নিরীক্ষার প্রতিবেদন ও বাৎসরিক কার্যক্রমের প্রতিবেদন নিয়মিত ভাবে নিবন্ধন  ‍কতৃপক্ষ বরাবর প্রেরণ করতে হবে।

(ছ)    সংগঠনের আয়ের উৎস- সদস্য চাঁদা, দান, অনুদান সাহায্য দেশী/বিদেশী অনুদান বিভিন্ন প্রকল্প হতে আয়, হাঁস মুরগী প্রকল্প হতে আয় পশু পালন মৎস্য চাষ যান বান পরিবহণ হতে প্রাপ্ত আয় হবে সংগনের আয়ের উৎস।

(জ)    ব্যয়ের খাত সংস্থার উন্নায়নে প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা/কর্মচারীদের বেতন ভাতাদি, ষ্টেশনারী মালামাল ক্রয় সম্মানি ভাতা, বিভিন্ন প্রশিক্ষণ ব্যয়, আপ্যায়ন ও অন্যান্য।