ক্রমিক নং

পদবী

সংখ্যা

01

সভাপতি

01 জন

02

সহ: সভাপতি

01 জন

03

সম্পাদক

01 জন

04

সহ: সম্পাদক

01 জন

05

কোষাদ্যক্ষ

01 জন

06

সদস্য

01 জন

07

সদস্য

01 জন

মোট=

07 জন

 

উপরোক্ত শূন্য 07 টি ব্যাতীত কার্যবলী পরিষদের আর কোন পদ থাকবে না।

ধারা নং-15:  কার্যকরী পরিষদের কর্মকর্তাদের দায়িত্ব ও কর্তব্য :-

1 সভাপতি:-

          ক) তিনি সাংগঠনিক প্রধান হিসাবে দায়িত্ব পালন এবং গনতন্ত্রের যোকোন ধারা উপধারা বাখ্যা করবেন।

          খ) তিনি সাধারন ও কর্যকরী পরিষদে সকল প্রকার সভায় সভাপতিত্ব করবেন এবং সভা সূমহ আহব্বান করার জন্য সাধারণ সম্পাদককে পরামর্শ দিবেন।

          গ) তিনি সভাপরিচালনা করবেন, সভায় গৃহীত প্রস্বাবলী বাস্তবায়ন সকলকে সহযোগিতা করবেন এবং সভাকার্য বিবরণীতে স্বাক্ষর করবেনঅ

          ঘ) সভা পরিচালনায় তাহার সর্বময় ক্ষমতা থাকবে।

          ঙ) সভায় কোন সিদ্ধান্ত গ্রহন কালে ভোটেরন প্রয়োজন হলে প্রস্তাবে পক্ষে-বিপক্ষে সমা সংখ্যক ভোট পরলে তিনি একটি কাষ্টিং ভোট প্রদান করে সৃষ্ট সমস্যা করতে পারবে। সভা পরিচালনায় যদি বিঘ্ন সৃস্টি হয় তাহলে সভা মূলতবী ঘোষনা করতে পারবেনর (নির্দিষ্ট সময়ে মধ্যে মুলতবী সভা পূন:অনুষ্ঠান হবে)। তিনি যাবতীয় খরচের অনুমোদন করবেন।

          চ) তিনি সংস্থার পক্ষে প্রতিনিধিত্ব করবেন বা প্রতিনিধিত্ব প্রেরণ করবেন। ব্যাংকের টাকা উত্তলনের জন্য সাধারণ সম্পাদক/কোষাধ্যক্ষ সংঙ্গে যৌথ সাক্ষর করবেন।

…………………………………………………………………………………………………………………………………………

 

2। সহ সভাপতি:-

          তিনি সভপতির অনুপস্তিতিতে সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন এবং সভাপতির সকল কাজে সহযোগিতা প্রদান করেন। কার্যকারী পরিষোধ কতৃক দেয় ও অন্যান্য দায়িত্ব সুষ্ঠভাবে পালন করেন।

3। সাধরণ সম্পাদক:

          ক) তিনি কার্যনির্বাহী প্রধান হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন।

          খ) সভাপতির সংঙ্গে পরামর্শক্রমে যাবতীয় সভা আহব্বান করেণ, সভায় কার্যবিবরণী লিপিবদ্ধ করেন এবং সভাপতির স্বাক্ষর প্রাদন করেন।

          গ) তিনি সংস্থার পক্ষ হতে সরকারী ও বেসরকারী অফিসের সংঙ্গে যোগাযোগ করেন এবং সকল প্রকার চিঠি পত্র প্রদান করেন।

          ঘ) তিনি সকল সম্পাদকীয় কাজে তদারকী করেণ এবং সকলকে কাজ করার জন্য পরামর্শ প্রদান করেণ।

          ঙ) সংস্থার যাবতীয় আয় ব্যায় হিসাব সুষ্ঠভাবে রক্ষণাবেক্ষণ এর জন্য কোষাধ্যাক্ষে পরামর্শ দিবেন এবং যাবতীয় খরচের ভাউচার সংরক্ষণ করার জন্য সহযোগিতা প্রদান করবেন।

          চ) তিনি বাজেট প্রণয়ন, বার্ষিক রিপোর্ট তৈরি করে বার্ষিক সাধারন সভায় পেশ করার জন্য কার্যকরী পরিষদ সভায় অনুমোদন নিবেন।

          ছ) তিনি সংস্থার দলিল পত্রে/চুক্তিপত্রে সভাপতির সাথে যৌথ সাক্ষর করবেন।

          জ) তিনি তার কজের জন্য সাধারণ পরিষদের নিকট দায়ী থাকবেন এবং ব্যাংক হতে টাকার উত্তলনের জন্য সভাপতি/ কোষাধ্যক্ষের যৌথ স্বাক্ষর করবেন।

          ঝ) তিনি কর্মচারীদের কাজে সার্বিক তত্বাবধান করবেন এবং কার্যকরী পরিষদে অনুমোদন ক্রমে কর্মচারীদের বিরুদ্ধে শান্তিমূলক ব্যাবস্থা গ্রহণ করবেন।

          ঞ) তিনি সংস্থার সভাপতি ও কোষাধ্যক্ষের ব্যতীত নির্বাহী কমিটির সকল সদস্যসহ সকল কর্মী এবং সদস্যদের প্রয়োজন অনুযায়ী সংস্থার স্বার্থে যেকোন প্রশাসনিক আইনগত ব্যাবস্থা গ্রহনের জন্য কার্যনির্বাহী পরিষদের নিকট সুপারিশ করতে পারবেন।

 

4) সহ-সাধারণ সম্পাদক:

তিনি সাধারণ সম্পদকের অনুপস্থিতে সাধারণ সম্পদাকের দয়িত্ব পালন করবেন এবং সাধারণ সম্পাদকের সকল কাজে সহযোগিতা প্রদান করবেন। সাধারণ সম্পাদকের দীর্ঘ অনুস্থপতিতে কার্যনির্বাহী পরিষদের সিদ্ধান্তের পেক্ষিতে আর্থিক লেনদেন করতে পারবেন।

……………………………………………………………………………………………………………………………..

 

5) কোষাধ্যক্ষ:

          সংস্থার বাজেট এবং গনতন্ত্রের ধারা অনুযায়ী সংস্থার জন্য যাবতীয় তহবিল সংগ্রহ ও রক্ষনাবেক্ষণ করবেন। সাধারণ ও কার্যকরী পরিষোদ সভায় তহবিল হিসাব রিপোর্ট প্রদান করবেন। তিনি সংস্থার সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের সাথে যোগাযোগ করে সকল প্রকার কার্যক্রম পরিচালনা করবেন। সকল প্রকার অর্থ রশিদের মধ্যে গ্রহন করবেন। রশিদবহি ক্রমিক নম্বর সহ সভায় পাশকৃত রশিদের মাধ্যমে গ্রহন করবেন এবং রশিদবহি ক্রমিক নম্বরসহ সভায় পাশকৃত অর্থ ছাড় করবেন এবং খরচের পর পরই ব্যয়কৃত টাকার ভাউচারসহ পরবর্তীতে কর্যকরী পরিষদ সভায় তা অনুমোদনের জন্য পেশ করবেন। জরুরী ব্যায় নির্বহের জন্য তিনি 2,000/= (দুই হাজার) টাকা প্রযন্ত হতে রাখতে পারবেন। ব্যাংককৃত টাকা উত্তলনের জন্য সভাপতি/সাধারণ সম্পাদকের সঙ্গে যৌথ স্বাক্ষর করবেন।

6) কার্যনির্বাহী সদস্য:-

                             তারা অন্যান্য সকল কার্যবলী পরিষদের সদস্যদের মতো সমমর্যাদার অধিকারী হবেন। কোন সিদ্ধান্ত গ্রহণের সময় কার্যকরী সভার পক্ষে ও বিপক্ষে কথা বলতে পারবেন এবং কার্যকরী পরিষদ কর্তৃক প্রদত্ত দায়িত্ব পালন করবেন।

ধারা নং-16:         উপচেষ্টা পরিষদ:-

                                      সমাজে স্বনামধন্য ব্যক্তিত্বশীল লোক যারা এই সংস্থার আইনকানুন ও সংবিধানের প্রতি আনুগত্য স্বীকার করবেন তাঁরাই উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য হওয়ার যোগ্য। কার্যকরী পরিষদ 05 সদস্য বিশিষ্ট একটি উপদেষ্টা পরিষদ মনোনিত করবেন।  এই পরিষদ কার্যকরী পরিষদের বিভিন্ন কাজের উপদেশ প্রদান করবেন। প্রকল্প সূমহ বাস্তবায়নের জটিল বিষয়াদি ও কারিগরি বিষয়ে উপদেষ্টা পরিষদে পরামর্শ গ্রহন করবেন।  এই পরিষদের ভোটাধিকার থাকবে না এবং মাসিক চাঁদা দিতে হবে না। এই পরিষদের মেয়াদ 02 বৎসর (কার্যকরী পরিষদের মেয়াদ এর সাথে সংশ্লিষ্ট)।

ধারা নং-17 নির্বাচন বিধি:

          ক) কার্যকারী পরিষদের মেয়াদ শেষ হওয়ার 30 দিনের মধ্যে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাটন গোপন ব্যলটের মাধ্যমে অনুষ্টিত হবে তবে একই পদে একাধিক পার্থী না থাকলে সাধারণ সভায় প্রস্তাব ও সমর্থনের মাধ্যমে কমিটি গঠন করা হবে।

……………………………………………………………………………………………………………………………………….

 

খ)      জরুরী প্রয়োজনে নির্বাচন করা সম্ভভ না হলে সাধারণ পরিষদের সিদ্ধান্ত মোতাবেক কার্যনির্বাহী কমিটির পস্তাব/সমর্থনের মাধ্যমে কমিটি গঠন করা যাবে।

গ)      যদের মাসিক চাঁদা পরিশোধিত থাকবে তারাই ভোটার যোগ্য হবে। একজন ভোটার একটি পদেরি একটি করে ভোট দিতে পারবেন এবং একটি পদের জন্য প্রার্থী হতে পারবেন। কোন সদস্য ভতির পর 90 দিন পূতি না হওয়া প্রযন্ত নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দিতা করতে বা ভোট দিতে পারবে না।

ঙ)     নির্বাচনের 40 দিন পূর্বে খসড়া ভোটার তালিকা তৈরি করে সংস্থার নোটিশ বের্ডে ঝুলিয়ে দিতে হবে এবং নির্বাচনের 30 দিন পূর্বে চুড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রদান করা হবে।

চ)      সাধারণ পরিষদ সভায় যদি নির্বাচন গোপন ব্যালটের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয় তাহলে ঔ সভার একটি নির্বাচন কমিশণ গঠন  ও একজন রিটার্নিং অফিসার মনোনয়ন করতে হবে।

……

রিটার্নিং অফিনার স্থানীয় কোন গন্যমান্য ব্যক্তি অথবা কোন সরকারি কর্মকর্তা/ কর্মচারী” হতে হবে যিনি

স্থার সাথে জড়িত নন । রিটার্নিং অফিসার প্রয়োজনীয় প্রিজাইডিং ও সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার যোগ করে নির্বাচন সম্পন্ন করবেন।

ছ)     নির্বাচন কমিশন কর্তৃক নির্বাচন তফশিল ঘোষনা করা হবে এবং ঘোষিত তফশিল অনুযায়ী নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচনের ১০ দিন, পূর্বে নির্বাচনের যাবতীয় কাগজপত্র নির্বাচন, কমিশনকে সরবরাহ করতে হবে। নির্বাচনের জন্য বর্তমান কার্যকরী পরিষদ নির্বাচন কমিশনকে যাবতীয় সহযোগিতা করবেন। নির্বাচন কমিশন রিটার্নিং অফিসারকে সকল প্রকার কাগজপত্র সরবরাহ করবেন।

জ)     নির্বাচনের দিন নিবন্ধন কতৃপক্ষের একজন প্রতিনিধির উপস্থিতিতে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

ঝ)     রিটার্নিং অফিসার কর্তক ফলাফল ঘোষনার ৭ (সাত) দির মধ্যে অথবা বর্তমান পরিষদের মেয়াদ শেষ হওয়ার সাথে সাথে নতুন কমিটিকে দায়িত্ব ও ক্ষমতা বুঝিয়ে দিতে বাধ্য থাকিবেন। নতুন কমিটির দায়িত্ব গ্রহণের এক মাসের মধ্যে নির্বাচিত কমিটিকে নিবন্ধীকরণ কর্তৃপক্ষের নিকট হতে অনুমোদন নিতে হবে।

(ঞ) পুরাতন কমিটি নতুন কমটির যথা সময়ে ক্ষম বুঝিয়ে না দিলে পুরাতন

কমিটির মেয়াদ শেষ হওয়ার সাথে সাথে নতুন কমিটির দায়িত্ব শুরু হবে। তবে এই ক্ষেত্রে আদালতের কোন নিষেধাজ্ঞা থাকলে এই নিয়ম কার্যকরী হবে না।